1. admin@alordorpon.com : admin :
  2. arman@alordorpon.com : Arman : Arman Hossain
  3. info.popularhostbd@gmail.com : PopularHostBD :
বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবান আলিকদম মাতামূহুরী নদী থেকে এক মরদেহ লাশ উদ্ধার। ভূরুঙ্গামারীতে মাদক সেবনের দায়ে তাজেলকে ভ্রাম্যমান আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড। লালমনিরহাট জেলা পুলিশ কর্তৃক বিশেষ অভিযানে ০২ জন মাদক কারবারি গ্রেফতার। রাণীশংকৈলে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে উপজেলা প্রেসক্লাবের সৌজন্য সাক্ষাৎ। পঞ্চবটির মোরে তিতাসের গ্যা’স লাইন লিকেজ হয়ে আগুন, আহত ৩ জন। নারায়ণগঞ্জ শহীদ জিয়া হল পুনঃনির্মাণের দাবি মহানগর বিএনপি নেতা খোরশেদের। নারায়ণগঞ্জ বন্দর শীতলক্ষ্যা নদীতে অজ্ঞাত এক যুবকের লাশ। নির্বাচন শুরুর আগে ফিষ্টুন ছিড়ে ফেলার অভিযোগ জামাত ইসলামের। নারায়ণগঞ্জে সর্বজনীন মানব কল্যাণ সংগঠনের শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন। নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ে মেঘনা গ্রুপের একটি চিনি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।

তুরমজ দিয়ে জমে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ পাইকারী বাজার।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৯ মার্চ, ২০২৩
  • ১০৮০ বার পড়া হয়েছে

তরমুজে ভরপুর হয়ে উঠেছে নারায়ণগঞ্জের অন্যতম বৃহৎ  পাইকারি বাজার চাড়ারগোপ  আড়ৎ। তরমুজগুলো নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার পাশাপাশি সরবরাহ করা হচ্ছে নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জসহ আরও বহু জায়গায়।

 

 

ব্যবসায়ীদের মতে, ‘সরবরাহ ঠিক থাকলেও, সব সময়ের তুলনায় বেচাকেনা কিছুটা কমে গিয়েছে এ বছর। তবে দাম কিছুটা কম থাকায় বাজারে ক্রেতা সন্তুষ্টি সহনশীল  অবস্থায় আছে বলে ধারনা করা যায়।

 

 

মঙ্গলবার সারজমিনে দেখা যায়, ট্রলার যোগে বরিশাল, ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন চরাঞ্চল থেকে তরমুজ আসছে কালির বাজারের এই আড়তে। তরমুজে সয়লাব শীতলক্ষ্যা তীরের এই পাইকারি বাজার। ক্রেতাদের হাঁকডাকে জমে উঠছে বেচাকেনা। গরম ও রমজান কেন্দ্র করে বেড়েছে মৌসুমি এই ফলের চাহিদা। বিভিন্ন আকার অনুযায়ী প্রতি পিস তরমুজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত।

 

আড়ত সংশ্লিষ্টরা জানান, এই আড়তে প্রতিদিন ১০ হাজারের বেশি তরমুজ কেনাবেচা হচ্ছে। পাইকারি কিনে স্থানীয় বাজারসহ রূপগঞ্জ, সোনরাগাঁ আড়াইহাজার, বন্দর, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ ও বিভিন্ন জেলার বাজারে বিক্রি করেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

 

আড়তদার মো. আসাদুজ্জামান টুটুল বলেন, আড়তে দৈনিক ১৫-২০ হাজার তরমুজ বেচাকেনা হচ্ছে। বর্তমানে পাইকারি ব্যবসায়ীরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্থ হলেও খুচরা পর্যায়ের বিক্রেতারা লাভ করতে পারছে। এখন ফলের মৌসুম থাকার কারনে কেজি দরে বিক্রির কোন সুযোগ নেই। অন্যান্য জায়গায় কেজি দরে বিক্রি হলেও নারায়ণগঞ্জে কেজি দরে বিক্রি হয় না। মাঝারি আকারের একটি তরমুজের দাম ১৫০-১৭০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।

 

 

 

তিনি বলেন, ‘আমাদের এখান থেকে তরমুজ কিনে অনেকে বেশি দামে বিক্রি করছে। তবে, আমাদের যে পাকাইর ব্যবসায়ীরা আছে তারা বেশি লাভ করতে পারছে না। তাদের লাভ সীমিত।’

 

 

 

পাইকারি বিক্রেতা মামুন বলেন, ‘সকাল ৬-৭টা থেকে বেচা-কেনা শুরু হয়ে চলে বেলা ১১-১২টা পর্যন্ত। আবার দুপুর ২টা থেকে রাত পর্যন্ত বেচাকেনা হয়। গতকালের তুলনায় দামটা একটু কম হলেও বেচাকেনা কম। তবে খুচরা পর্যায়ে বিক্রিও বেশি লাভও বেশি।’

 

 

 

 

এদিকে, সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি পিস তরমুজে বেড়েছে ২০-১০০ টাকা পর্যন্ত। পাইকারি বাজার থেকে কেনা তরমুজ খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে দ্বিগুণ দামে। চাড়ার গোপ আড়তে যে তরমুজ (মাঝারি) ২০০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে সেটা দুইনং গেট এলাকায় বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৩৫০ টাকা করে। কেউ কেউ চাইছেন আরও বেশি।

 

 

 

 

বিষয়টি জানতে চাইলে, খুচরা ফল বিক্রেতা মো. শামিম বলেন, ‘আসলে বর্তমানে তরমুজের চাহিদাটা অনেক তাই দামটাও একটু বেশি। কিছুদিনের মধ্যে এই দাম আরও কমে যাবে।’

 

 

 

 

ক্রেতারা বলছে, ‘তরমুজের মৌসুম চললেও দামটা বেশি। লাভটা একটু কম করে, সকলে কিনতে পারে এমন দামে বিক্রি করলে সবাই খেতে পারবে।’

সংবাদ টি শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

© All rights reserved

Design BY POPULAR HOST BD